Home

Bangladesh Physicians

Latest Updates

শিশুর অ্যাজমা চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তি অধিকাংশ অভিভাবকের ধারণা, বাচ্চা বড় হলে অ্যাজমা এমনিতেই সেরে যাবে। বাস্তবতা- ছোট থেকেই অ্যাজমার চিকিৎসা না হলে বড় হলে বা সাঁতার শেখালে শিশুর অ্যাজমা সেরে যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে না থাকলে অ্যাজমা ক্রনিক হয়ে সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পারিবারিক ইতিহাস ও অন্যান্য লক্ষণ দেখে বুঝতে পারেন শিশুর অ্যাজমা সেরে যাবে কিনা। ইনহেলার একবার নেয়া শুরু করলে সারা জীবন ব্যবহার করতে হয়। বাস্তবতা- চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র দিলেও অনেক অভিভাবক শিশুকে ইনহেলার দিতে চান না। তারা মনে করেন, এটা শেষ চিকিৎসা এবং একবার ব্যবহার শুরু করলে সারা জীবন করতে হয়। প্রকৃতপক্ষে ইনহেলার অ্যাজমার সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা। এটি সরাসরি শ্বাসতন্ত্রে কাজ করে। ফলে অন্যান্য ওষুধ কম লাগে ও অল্প সময়েই কাজ হয়। সর্বোপরি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। শিশুর স্পেসারের মাধ্যমে ইনহেলার নিতে হয়। অ্যালার্জি থেকে কি অ্যাজমা হয়? বাস্তবতা- অ্যাজমা অ্যালার্জিজনিত রোগ। অ্যালার্জি দ্রব্যাদি পরিহার করে চলতে পারলে সুফল পাওয়া যায়। পুরনো ধুলোবালি ও ঘরের লেপ-তোষকের সঙ্গে অ্যালার্জি ছড়ায়। অ্যালার্জি ভ্যাকসিন কি কার্যকরী? বাস্তবতা- বিশ্বের অধিকাংশ দেশে অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ডিসেনসিটাইজেশনের মাধ্যমে অ্যাজমার চিকিৎসা দিয়ে সুফল পাওয়া যাচ্ছে। অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস অ্যাজমা ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার পান্থপথ, ঢাকা। মোবাইল ফোন : ০১৭২১৮৬৮৬০৬

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে ডায়াবেটিস একটি মারাত্নক রোগ হয়ে উঠতে পারে। হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনী রোগ, চোখের অসুখসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের জন্য। একারণে চল্লিশ পেরোনোর পর ডায়াবেটিস হয়েছে কিনা সেটা দেখার জন্য নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করতে হয়। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন ডায়াবেটিস নির্ণয়ে রক্ত পরীক্ষা হচ্ছে রক্তে শর্করার মাত্রা নির্ণয় করা। এজন্য একবার সকালে খালি পেটে রক্ত পরীক্ষা করতে হয়, তারপর নাস্তার দু’ঘন্টা পর রক্ত পরীক্ষা করতে হয়। পরীক্ষাটি ঝামেলাপূর্ণ হওয়ায় অনেকের মধ্যেই অনীহা দেখা যায়। অবশ্য র‌্যান্ডম টেস্টে এ ঝামেলা নেই। কিন্তু এসব পরীক্ষায় কেবল তাৎক্ষণিক অবস্থা জানা যায়। কারো রক্তে হয়ত এখন শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে, কিন্তু কয়েকদিন আগে ছিল না। তাই অনেকে সময় বিগত দিনগুলোয় রোগী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছিলেন কিনা সেটা জানা প্রয়োজন হয়। এইচবিএওয়ানসি (HbA1c) এমন একটি পরীক্ষা। বিগত তিন মাসে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ছিল কিনা এ পরীক্ষার মাধ্যমে সেটি জানা যায়। শর্করা রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, একে A1C বা HbA1C বলা হয়। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে এই গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু দুই মাস থেকে তিন মাসের মত। তাই HbA1C এর মাত্রা পরিমাপের মাধ্যমে বিগত তিন মাসে ডায়াবেটিসের অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। পরীক্ষাটি যে কোন সময়ে করা যায়। কোন পূর্ব প্রস্তুতি প্রয়োজন হয় না। HbA1C এর মাত্রা- ৫.৭% এর কম হলে ডায়াবেটিস নেই বলে ধরে নেয়া হয়। ৫.৭% থেকে ৬.৪% এর মধ্যে হলে প্রি-ডায়াবেটিস অবস্থা বলা হয়। ৬.৫% বা এর বেশি হলে ডায়াবেটিস আছে বলে ধরে নেয়া হয়।

- ডাঃ এর উপদেশে সুস্থ্য থাকার জন্য মানুষ খাবার নিয়ন্ত্রণ করে যখন তার কোন রোগ হয়। আসলে আমার মত। কিন্তু রোগ হওয়ার পুর্ব থেকে এই নিয়ম টা মেনে চললে রোগটা আক্রমণাত্মক হতো না, হতো রক্ষণাত্মক। ( বিঃ দ্রঃ - পরিহার করুন চর্বি জাতীয় খাবার, অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার, তৈল জাতীয় খাবার ও অন্যান্য বাজে শ্রেণীর খাবার।)

স্থান পরিবর্তন APOLOHOSPITAL এখন দোয়াভাঙ্গা কুমিল্লা-চাঁদপুর মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে।